শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে টানা ৬৬ দিন বন্ধ ছিল বরিশাল-ঢাকা নৌপথে লঞ্চ চলাচল। অবশেষে রোববার সীমিত আকারে খোলার পর ভিড় ছিল ঈদের মতো। ঢাকাগামী লঞ্চগুলোতে মানা হয়নি কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি। লঞ্চে ওঠার আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা থাকলেও ভেতরে ঠাসাঠাসি করে যে যার মতো ছিলেন। এছাড়া অনেকের মাস্কও ছিল না। এদিকে যাত্রীদের চাপ বেড়ে গেলে বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের নির্দেশে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এর আগে বিকেল পাঁচটার পর থেকে লঞ্চগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। প্রতিটি লঞ্চের ধারণ ক্ষমতার দেড় থেকে দ্বিগুণ যাত্রী ওঠানো হয়। বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার নিজে মাইকিং করলেও ছিল না যাত্রীদের কোনো খেয়াল।
একপর্যায়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান র্যাব সদস্যদের নিয়ে যাত্রীদের গাদাগাদি দেখে ডেকের প্রধান ফটক বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে তিনটি লঞ্চেরই প্রধান ফটক বন্ধ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান বলেন, চাপ বেশি থাকায় কিছু যাত্রীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে যারা প্রয়োজন ছাড়া ঘোরাফেরা করেছেন তাদের চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর বরিশাল কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, লঞ্চে যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বিআইডব্লিউটিএ ও লঞ্চমালিকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জীবাণুনাশক টানেল ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া লঞ্চে ছিটানো হয়েছে জীবাণুনাশক দ্রব্য।
বরিশাল নদীবন্দর থেকে রোববার রাত সোয়া ৮টায় সুন্দরবন ১১, সুরভী ৯ ও অ্যাডভেঞ্জার ৯ ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।